কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ০১:২৬ PM
কন্টেন্ট: পাতা
শিবালয় উপজেলা নির্বাচন অফিসের সরাসরি নিজস্ব কোনো "উন্নয়ন প্রকল্প" (যেমন রাস্তাঘাট বা ব্রিজ নির্মাণ) থাকে না, কারণ এটি মূলত একটি সেবাধর্মী ও প্রশাসনিক দপ্তর। তবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অধীনে তারা বেশ কিছু জাতীয় ও কারিগরি প্রকল্প মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন করে থাকে।
ওয়েব পোর্টালে ব্যবহারের জন্য শিবালয় উপজেলা নির্বাচন অফিসের আওতাধীন চলমান প্রকল্প ও বিশেষ কার্যক্রমগুলো নিচে দেওয়া হলো:
উপজেলা নির্বাচন অফিস মূলত নাগরিকদের সঠিক ভোটার তালিকা প্রদান এবং উন্নত জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) সেবা নিশ্চিত করতে নিম্নোক্ত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করছে:
এটি নির্বাচন কমিশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। এর অধীনে শিবালয় উপজেলায় নিম্নলিখিত কাজগুলো করা হচ্ছে:
স্মার্ট কার্ড বিতরণ: উপজেলার সকল ভোটারের হাতে চিপযুক্ত উন্নতমানের স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র পৌঁছে দেওয়া।
বায়োমেট্রিক তথ্য যাচাই: ভোটারদের আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ (Iris) সংগ্রহের মাধ্যমে ডাটাবেজ আরও সুরক্ষিত করা।
এটি একটি নিয়মিত কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প:
নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তি: প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে নতুন ভোটারদের তালিকায় যুক্ত করা।
মৃত ভোটার কর্তন: নির্ভুল তালিকা বজায় রাখতে মৃত ব্যক্তিদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া।
উপজেলার বিভিন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও কারিগরি দক্ষতা তৈরি করা।
জনসচেতনতা বৃদ্ধি: ইভিএম প্রদর্শনী এবং ভোটারদের প্রশিক্ষণ প্রদান।
উপজেলার যে সকল নাগরিক বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন, তাদের অনলাইনের মাধ্যমে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিশেষ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
নাগরিকরা যাতে ঘরে বসেই এনআইডি কার্ড সংশোধন বা রি-ইস্যুর আবেদন করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে সম্পূর্ণ ডিজিটাল ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
| প্রকল্পের নাম | মূল উদ্দেশ্য | উপকারভোগী |
| IDEA-2 | স্মার্ট কার্ড প্রদান ও ডাটাবেজ সুরক্ষা | শিবালয়ের সকল ভোটার |
| ভোটার তালিকা হালনাগাদ | নির্ভুল ও আধুনিক ভোটার তালিকা তৈরি | ১৮+ বয়সী নতুন নাগরিকবৃন্দ |
| EVM Project | প্রযুক্তিনির্ভর ভোটদান ব্যবস্থা নিশ্চিত করা | সাধারণ ভোটার ও প্রার্থী |